নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারে কলাতলী সৈকত সংলগ্ন সাগরে ট্রলার যোগে মালয়েশিয়া পাচারকালে নারী ও শিশুসহ ২০ জনকে উদ্ধার এবং রোহিঙ্গা পাঁচ পাচারকারিকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।
আটক পাচারকারিরা হল- উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. কাসিম, একই এলাকার হামিদুর রহমানের ছেলে মো. তৈয়ব, অলি আহমদের ছেলে জাফর আহমদ, হায়দার রহমানের ছেলে মো. ইয়াসিন ও তার ভাই জাহেদ হোসেন।
উদ্ধারদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা ও ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক। এদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৩ জন শিশু।
লে. কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, শুক্রবার ভোর ৩ টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া ঘাট সংলগ্ন সাগরে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশে নারী ও শিশুসহ কিছু লোকজনকে বহন একটি ট্রলার অবস্থানের খবর পায় কোস্টগার্ড। পরে কোস্টগার্ডের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে সাগরে অবস্থানকারি একটি ট্রলারের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কোস্টগার্ড সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু কোস্টগার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলারের গতি বাড়িয়ে পাচারকারিরা পালানোর চেষ্টা চালায়।
“ পরে ট্রলারটিকে ধাওয়া দেওয়ার এক পর্যায়ে কক্সবাজার কলাতলী সৈকত সংলগ্ন সাগর এলাকায় কোস্টগার্ড সদস্যরা জব্দ করতে সক্ষম হয়। এসময় ট্রলারটি তল্লাশী চালিয়ে নারী ও শিশুসহ মালয়েশিয়াগামী ২০ জনকে উদ্ধার এবং ৫ জন পাচারকারিকে আটক করা হয়েছে। “
আটক পাচারকারিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান, কোস্টগার্ডের এ গণমাধ্যম কর্মকর্তা।
