নিজস্ব প্রতিবেদক : রামুর গর্জনিয়ায় বেশ কিছু দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ ডাকাতদলের এক নারী সহযোগীকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
বুধবার সকালে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা সামিরাঘোনা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া।
আটক জেসমিন সুলতানা রিয়া (২০) একই এলাকার নুর আহম্মদের মেয়ে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, বুধবার সকালে রামু গর্জনিয়া ইউনিয়নের সামিরাঘোনা এলাকায় জনৈক ব্যক্তির বসত ঘরে অপরাধ সংঘটনের উদ্দ্যেশে কিছু আগ্নেয়াস্ত্র মজুদের খবর পায় আইন শৃংখলা বাহিনী। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি যৌথদল সেখানে অভিযান চালায়। এতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সন্দেহজনক বসত ঘরটি ঘিরে ফেললে ৩/৪ জন লোক কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় বসত ঘরটি থেকে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে বসত ঘরটি তল্লাশী করে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় ২ টি বিদেশি পিস্তল, দেশিয় তৈরী ১ টি বন্দুক, বিভিন্ন ধরণের ৫৫ টি গুলি, কার্তুজের ৪ টি খালি খোসা, ১ টি বন্দুকের বাট, ১ টি খেলনার পিস্তল, ২ টি লম্বা দা ও ১ টি কাটার। “
ওসি বলেন, “ আটক নারী রামুর পাহাড়ী এলাকা কেন্দ্রিক সক্রিয় একটি ডাকাতদলের সহযোগী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো চিহ্নিত ডাকাত নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছার ও আব্দুর রহিম তার হেফাজতে মজুদ রেখেছিল। “
পলাতক আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
তিনি জানান, আটক নারীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা করা হয়েছে।
